এদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন ভোটার ও প্রার্থীরা। সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চল সন্ত্রাস কবলিত এলাকা হওয়ায় এ সহিংসতার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তাদের সমর্থক কর্তৃক হুমকি-ধমকি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ করে সুষ্ঠ ভোট অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। এ নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা ও অজানা শঙ্কা কাটছে না ভোটার ও প্রার্থীদের।
এদিকে, হাজিরপাড়া ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.নিজাম উদ্দিন মুন্না নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, গণভবনে সংশ্লিষ্ট এক ব্যাক্তির আত্মীয় হওয়ায় ও জেলা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। তৃনমূলের ভোট না নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তার। এর প্রতিবাদ স্বরুপ তিনি প্রার্থী হয়েছেন জানিয়ে বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে ভোট কারচুপি করে নেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন এ প্রার্থী। ইতোমধ্যে তার কর্মী সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, ভবানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হালিম মাস্টার, তেওয়ারীগঞ্জে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আলম, চন্দ্রগঞ্জে মো.আনোয়ার হোসেন ও বশিকপুরের বিএনপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন কিরণ নিজ নিজ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও নৌকা সমর্থক কর্তৃক হুমকি-ধমকির অভিযোগ করে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানের দাবি জানান। তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা অভিযোগ অস্বীকার করেন।
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার আ স ম মাহতাব উদ্দিন জানান, সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সজাগ রয়েছে। এক্ষেত্রে সকল প্রার্থী ও জনগণকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান পুলিশ সুপার।
আরও পড়ুন:
রংপুরে আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
/এআর/আপ-বিটি/