ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩০

Brahmanbaria Saril Clsh newsতুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার সৈয়দটুলা এবং কুট্টাপাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সরাইল-নাসিরনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক সড়কে অন্তত দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শী রকিবুল,মুহাম্মদ আলী এবং আব্দুল আওয়াল জানান, শুক্রবার দুপুরে সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের মার্কেটে কাজ করার সময় গর্তের মাটি ফেলা নিয়ে অন্য এক গ্রামের নির্মাণ শ্রমিককে মারধর করে উচালিয়া পাড়ার কয়েক যুবক। পরে এ নিয়ে পাশের গ্রাম কুট্টাপাড়ার আইয়ুব সর্দার ওই যুবকদের শাসন করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উচালিয়া পাড়া গ্রামের যুবকরা আইয়ুব সর্দারকে পাল্টা লাঞ্ছিত করে। এ খবর উভয় গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি মিমাংসার জন্য আজ  শনিবার বেলা ১১টার দিকে সরাইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সালিশ ডাকা হয়। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বেলা ১১টার দিকে সালিশ শুরু হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় পাঁচটি বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়। আহত হন কমপক্ষে ৩০ জন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ সরাইল-নাসিরনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক সড়ক পার হয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপক কুমার সাহা জানান, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সরাইল থানা পুলিশ চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত রিজার্ভ পুলিশ আনা হয়। পরে রিজার্ভ পুলিশ এসে অন্তত ৭০ রাউন্ড শটগান, টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ২টার দিকে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে আহতদেরকে সরাইল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রিমান্ডে থাকা ফাইজুল্লাহ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

/বিটি/