সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় এই আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এর প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে এসব সংগঠন। তাদের দাবি, এই আইনের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী বাঙালিরা ভূমি থেকে উচ্ছেদ হবেন এবং ভূমির অধিকার হারাবেন। প্রস্তাবিত আইনকে কালো আইন আখ্যা দিয়ে বাঙালি নেতারা জানান, এই আইনে যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। বাঙালিরা স্বাভাবিক বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন । কমিশনে বাঙালিদের কোনও প্রতিনিধি না থাকায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
পাহাড়ের বাঙালি ভিত্তিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ,পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র ঐক্য পরিষদ, পার্বত্য বাঙালি শ্রমিক গণ পরিষদ এবং পার্বত্য যুব ফ্রন্ট এই কর্মসূচি পালন করছে।
আমাদের রাঙামাটি প্রতিনিধি জানান, হরতালের সমর্থনে সকাল থেকেই রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পিকেটিং করছে এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শহরের আভ্যন্তরীণ এবং আন্তঃজেলার সব ধরনের সড়ক ও নৌ যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকেও শান্তিপূর্ণ হরতাল পালনের খবর পাওয়া গেছে।
রাঙামাটির সহকারী পুলিশ সুপার চিত্তরঞ্জন পাল জানিয়েছেন, হরতালের কারণে শহর ও পুরো জেলায় বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।
আমাদের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, খাগড়াছড়িতেও শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল চলছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নাইট কোচগুলো শহরে প্রবেশ করলেও খাগড়াছড়ি শহর থেকে ঢাকা বা চট্রগ্রামের উদ্দেশে কোনও যানবাহন ছেড়ে যায়নি। বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী সকল ধরনের পরিবহন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলার কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভারতীয় হাই কমিশনারের সাক্ষাৎ
/বিটি/