বুধবার কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন।
পুলিশ সুপার জানান, কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে আসামি নাজমুল হাসানকে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনামো লঞ্চঘাট থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি আরও জানান, নিহত নাসিমার এটি দ্বিতীয় বিয়ে ও আসামি নাজমুলের তৃতীয়। তার আগের দুই স্ত্রীর একজন মারা গেছে,অন্যজনকে ডিভোর্স দিয়েছে। দাম্পত্য কলহ নিয়ে নাসিমা তার স্বামী নাজমুলকে চড় মারে। বিষয়টি সহজভাবে নিতে না পারায় অফিসে থাকার জায়গা আছে বলে কৌশলে স্ত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গলা টিপে হত্যা করে সে। ধস্তাধস্তির সময় ছেলে নাফিস কেঁদে উঠলে তাকেও গলা টিপে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে তার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রবিবার (১৪ আগস্ট) রাতে কুমিল্লা হাউজিং এস্টেটের মিম পেক্স অ্যাগ্রো কেমিক্যালসের সেপটিক ট্যাংক থেকে নাসিমা আক্তার ও তার দেড় বছর বয়সী ছেলে নাফিসের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নাসিমার গ্রামের বাড়ি বরুড়া উপজেলার কাদবা দেউড়া গ্রামে। স্বামী নাজমুল হাসানের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বরকইট শ্রীমন্তপুর গ্রামে। নাজমুল ওই গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) হাউজিং এস্টেটের ওই মিম পেক্স এগ্রো কেমিক্যালসে নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি নেয় নাজমুল। শুক্রবার রাতে তার স্ত্রী নাসিমা ও ছেলে নাফিসকে ওইখানে নিয়ে আসেন তিনি। রাতে তাদের হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে রেখে নাজমুল পালিয়ে যায়। সোমবার নাজমুলকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন নাসিমার বাবা খলিলুর রহমান।
আরও পড়ুন: সোনাগাজীতে ভূমি পরিদর্শনে এমিটি সোলার কোম্পানি
/এআর/টিএন/