জলজ প্রাণীর ওপর ট্যাংক বিস্ফোরণের প্রভাব জানতে মঙ্গলবার অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রভাতী দেব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গ্যাস নিঃসরণের কারণে যেসব ঘের মালিকের ক্ষতি হয়েছে, তারা ক্ষতিপূরণ চাইতে পারবেন। এজন্য বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে আবেদন করতে পারবেন । তবে এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কার্যালয়ের কিছু করার নেই।
তিনি আরও জানান, ড্যামেজ রিপোর্ট তৈরির অংশ হিসেবে তারা আবারও ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। এরপরই বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।
এদিকে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ডেপুটি অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, গ্যাস নিঃসরিত এলাকার পরিধি ছোট হয়ে আসছে। বুধবার সকালে গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষায় দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২০০ মিটারের মধ্যে এয়ার কোয়ালিটি এসেছে ১০ পিপিএম। মঙ্গলবার রাতে এই পরিমাণ ছিল ১০ থেকে ২০ পিপিএম।
উল্লেখ্য, রবিবার (২১ আগস্ট) রাত পৌনে ১১টার দিকে ড্যাপ (ডাইঅ্যামোনিয়াম ফসফেট) ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের একটি সার কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস ট্যাংক লিকেজ হয়ে আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অসুস্থ হয়ে ৫২ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও বিসিআইসির পক্ষ থেকে দুটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
কারাখানাটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান। এটি কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ তীরে আনোয়ারা উপজেলার রাঙাদিয়ায় অবস্থিত। ২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর কারখানাটি উৎপাদন শুরু করে।
আরও পড়ুন-
চাপে থাকলেও রামপাল নিয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সরকার
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি আগামী সপ্তাহে ঢাকা আসছেন
/এফএস/