বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহুর আহমেদ চৌধুরী জানান, বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো.মোশারেফ হোসেনকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার আদেশ দেন।
মামলায় লক্ষ্মীপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা.আশফাকুর রহমান মামুনকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফারহানা আক্তার লক্ষ্মীপুরে ‘সেইভ দ্যা সিলড্রেন’ এর মা-মনি প্রকল্পের কর্মী এবং লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ফারহানা প্রকল্পে থাকা অবস্থায় ডা.মামুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩০ লাখ টাকা দেন মোহরে সিলেট এলাকার সুরমা ভ্যালি রেস্ট হাউজে ডা.ইমামুলের মধ্যস্থতায় ডা. মামুন বিয়ের নাটক সাজিয়ে ফারহানাকে বিয়ে করেন।
এরপর ডা. মামুন কোনও ধরনের খোঁজ-খবর না নেওয়ায় ফারহানা তাদের বিয়ের স্বাক্ষী ডা. ইমামুলকে ফোন দেন। এরপর ফারহানা তাদের বিয়েটি সাজানো বলে জানতে পারেন। পরে বিয়ের স্বীকৃতি ও লক্ষ্মীপুর আসতে চাইলে ফারহানাকে প্রাণে হত্যার হুমকি দেন ডা. মামুন। ফারহানা মোবাইল ফোনে তাদের কথাবার্তা ও বিয়ে সংক্রান্ত সব কিছু রেকডিং করে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,গত শুক্রবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরের শাখারী পাড়া এলাকায় ডা. আশফাকুর রহমান মামুন ও তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ফারহানাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তার চিৎকারে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
ফারহানা জানান, রবিবার বিকেলে থানায় মামলা করতে গেলে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার দেওয়া এজাহার গ্রহন করেননি। এসময় আসামির পক্ষ নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে মনগড়া এজাহার তৈরি করে আমার স্বাক্ষর নেয়। তাই আমি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে হাজির হয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য এ মামলা দায়ের করি।
/এমডিপি/