প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক (পিয়ন) মো. মাহমুদুল হাসানকে (২৪) অফিসের কাজ না করার অজুহাতে চড়-থাপড় মারেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু আহম্মদ। মারধরের পর গলা ধাক্কা দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন ভুক্তোভোগি।
অফিস সহায়ক মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, শিক্ষা সপ্তাহ অনুষ্ঠানের কাজ করার সময় স্যার ডাক দিয়ে জানতে চায় কী করছি। স্যারকে চিঠি দিচ্ছি জবাব দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আমায় গালিগালাজ করেন। পরে চিঠি রাখা বাদ দিয়ে ব্যানার লাগা বলে আমায় চড়-থাপড় মারে। এক পর্যায়ে গলা ধাক্কা দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয়।
এ ঘটনার পর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আবুল কালাম বলেন, কর্মচারীর কোনও আচরণে অসন্তোষজনক হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন, লিখিতভাবে কর্মচারীকে জানাতে হবে এবং তাকে তার স্বপক্ষে মতামত দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু কোথাও লেখা নেই কর্মচারীকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি সোমবার জানাবো।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু আহম্মদ জানান, ঠিকমতো কাজ না করায় অফিসের প্রধান হিসেবে আমি বকাবকি করেছি,তাকে মারধর করিনি।
এদিকে এ ঘটনার তদন্ত্র সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করবে বলে জানান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতারা।
/এআর/