আটককৃতরা হলেন- সাইফুল, শাহ আলম, মো. শহীদ, আবুল কালাম, শরিফুল, শরিফ ও মো. মোস্তফা।
এদিকে শনিবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান ও পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান। এই নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকেও সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার শীর্ষ এই কর্মকর্তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সফর শেষে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতারাসহ এক জরুরি সভায় অংশ নেন তারা।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের লাশ দীঘিনালার চারমাইল এলাকায় পাওয়া যায়। স্থানীয় বাঙালিরা এই ঘটনার জন্য পাহাড়ের আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে দায়ী করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে নয়নের লাশ নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা সদরে আসার পথে পাহাড়িদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় শতাধিক বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
‘বিশ্বাস ছিল কেউ ক্ষতি করবে না’
যুবলীগ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় লংগদুতে পাহাড়িদের বাড়িঘরে আগুন