তিনি বলেন, ‘আমদানিকারক ঢাকার মেসার্স বি. বাড়িয়া গ্লাস হাউস, পিএআরএম এন্টারপ্রাইজ এবং আশা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ‘ক্লক অ্যান্ড ওয়াচ’গ্লাস এবং ‘ডার্ক ব্লু’ গ্লাস ঘোষণায় এ তিনটি গ্লাসের চালান নিয়ে আসে। কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় ধরা পড়ে ওই সব চালানে ‘ক্লক অ্যান্ড ওয়াচ’এবং ‘ডার্ক ব্লু’ গ্লাসের পরিবর্তে রিফ্লেকটিভ মিরর গ্লাস পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আমরা গ্লাসগুলো জব্দ করি।’
তারেক মাহমুদ আরও বলেন, তিনটি চালানের প্রাথমিকভাবে পরিশোধিত শুল্ক করাদির পরিমাণ ছিল ৫১ দশমিক ৭৪ লাখ টাকা। কিন্তু শুল্ক গোয়েন্দার হস্তক্ষেপের কারণে পরবর্তীতে জরিমানাসহ মোট শুল্ক-করাদির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৯২ লাখ টাকা। এতে প্রায় ৪১ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। নতুন আরোপিত এ শুল্ক কর আমদানিকারকরা বুধবার দিয়েছে।’
শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, মেসার্স বি. বাড়িয়া গ্লাস হাউস ও পিএআরএম এন্টারপ্রাইজ সিএন্টএফ এজেন্ট ‘এস হুসেইন অ্যান্ড কোম্পানি’এর মাধ্যমে যথাক্রমে সি- ৫১৪০১৩, (তারিখ: ১৯/০৪/২০১৭) সি-৫৩৭৪১৬, (তারিখ: ২৪/০৪/২০১৭) দাখিল করে ক্লক অ্যান্ড ওয়াচ গ্লাস এবং ডার্ক ব্লু গ্লাস ঘোষণা প্রদান করে রিফ্লেকটিভ মিরর গ্লাস খালাস গ্রহণের অপচেষ্টা চালিয়েছিল।
অন্যদিকে আশা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানটি সিএন্টএফ এজেন্ট- ‘তাসমি এন্টারপ্রাইজ’ এর মাধ্যমে সি-৫৯৩৩২৩ (তারিখ: ০৭/০৫/২০১৭) দাখিল করে ‘ডার্ক ব্লু ফ্লোট’ গ্লাস ঘোষণা প্রদান করে। কিন্তু কায়িক পরীক্ষণে এতে ১০২৭ বর্গ মিটার পণ্য বেশি পাওয়া যায়। এছাড়া গ্লাসের চালানগুলোতে ঘোষিত পুরুত্বের চেয়ে অধিক পুরুত্বের গ্লাসও পাওয়া যায়।
/এআর/