ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সাদ্দাম হোসেন দাউদকজান্দির জামালকান্দি গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে। সে পলাতক রয়েছেন।
মামলা ও আদালতের সূত্র জানায়, ২০১২ সালে দাউদকান্দি খন্দকার মোশারফ হোসেন মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ফারজানাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় পাশের জামালকান্দি গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম। প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ওই বছরের ১১ নভেম্বর রাতে তার বাড়িতে গিয়ে জানালা দিয়ে এসিড ছোড়ে সাদ্দাম ও অভিযুক্তরা। এতে ফারজানাসহ তার বোনের ছেলে ফয়সাল মাহমুদ ও গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার আহত হয়। পরে ফারজানাকে ঢাকার এসিড সারভাইভাস ফাউন্ডেশনের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২২ দিন পর ওই হাসপাতালে মারা যায় ফারজানা।
এ ঘটনায় ১২ নভেম্বর ফারজানার বাবা দাউদাকন্দি থানায় সাদ্দামসহ ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার ২ মাস পর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত ৩৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সাদ্দামকে ফাঁসি ও অপর ৬ জনের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় জামালকান্দির তারেক হোসেন জনি, সোনাকান্দার রাসেল মিয়া,শাহদাত হোসেন বাবু, আমিন উদ্দিন, মো.শাহিন ও আসমা আক্তারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এপিপি নুরুল ইসলাম। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আবদুল মমিন ফেরদৌস, জসিম উদ্দিন শিশু ও আলী আক্কাস।
/এআর/