চুল কেটে শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক

 

ফয়সাল

ছয় বছরের ফয়সালের মাথার চুল একটু বড় হয়ে গিয়েছিল। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে তার মাথা মাঝখানের চুল কেটে শাস্তি দিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি রহিমিল্লাহ কাসেমী। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় মঙ্গলবার (১ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে ।  

ফয়সালের চুল কেটে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ওই শিক্ষক। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাদ্রাসায় নিয়ম আছে চুল বড় হলে কেটে দেওয়ার। ওই ছাত্রের চুল কাটতে গিয়ে জোহরের আজান পড়ে যায়। তাই তার সব চুল কাটা সম্ভব হয়নি।’

ফয়সালের বাবা ওমর ফারুকের অভিযোগ, ‘আমার ছেলের চুল বড় হয়েছে এই অভিযোগে মাথা ন্যাড়া করার অধিকার ওই শিক্ষককে কে দিয়েছে? ছয় বছর বয়সী একটা বাচ্চার সঙ্গে তিনি এমন আচরণ করতেই পারেন না। আমাকে বললে আমি ছোট করে দিতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ব্যাপারে মাদ্রাসা শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে শিক্ষকরা আমাকে মারতে আসেন। আমি প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।’ তবে এ অভিযোগ অস্বীকার কেরেছেন মুফতি রহিমিল্লাহ। তিনি বলেছেন, ‘এটা সত্য নয়।’

এভাবে শিশু শিক্ষার্থীর মাথা ন্যাড়া করে অন্যায় বলে জানিয়েছেন সোনাগাজী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আল মমিন । তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের কাছ থেকে এই ধরনের কাজ কেই আশা করে না।’

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান এই ঘটনায় উদ্বেগ জনক বলে জানিয়ে বলেন, শিক্ষক জাতির কাছে এই ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ।

/এসটি/