রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রায়হাদ চৌধুরী রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রায়হাদ চৌধুরী রনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পুলিশের কাজে বাধাদান, হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির তিনটি ধারায় তাকে ওই কারাদণ্ড দেন।’
এই মামলাটি ছাড়াও নাসিরের বিরুদ্ধে নগরী ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় খুন, গুমসহ প্রায় ৩৬টি মামলা আছে। এরমধ্যে কয়েকটি মামলায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে তার সাজা হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালের ৬ এপ্রিল পুলিশ নাসিরকে গ্রেফতার করতে চট্টগ্রাম কলেজের শেরেবাংলা ছাত্রাবাস এলাকায় অভিযানে যায়। ছাত্রাবাসটির সামনে শিক্ষকদের আবাসনের পরিত্যক্ত ভবনে বাইরে থেকে তালা দেওয়া একটি কক্ষের ভেতর লুকিয়ে ছিল নাসির। এ সময় দরজা ভেঙে নাসিরকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে শিবিরের সন্ত্রাসীরা ছাত্রাবাস থেকে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে এ ঘটনায় নগরীর কোতোয়ালি থানায় নাসির, ইয়াকুব ও হুমায়ন নামে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। ২০০১ সালের ১৭ নভেম্বর নাসিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। এর আগে অপর দুই আসামি ইয়াকুব ও হুমায়ন নাজিরহাটে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়।
আরও পড়ুন: