চবির প্রশাসনিক ভবনে ছাত্রলীগের ভাঙচুরের অভিযোগ

চবির প্রশাসনিক ভবনে ভাঙচুর এক শিক্ষকের অপসারণের দাবি মেনে না নেওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর টিপুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ছাত্রলীগের এই গ্রুপ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

চবির প্রশাসনিক ভবনে ভাঙচুর সিটি করপোরেশনের বর্ধিত কর বিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ আমীর উদ্দিনের অপসারণ দাবি করে। একই দাবিতে সোমবার উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়ে ওই শিক্ষককে অপসারণে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় এ হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে একত্রিত হয়। পরে দুপুর দেড়টার দিকে তারা মিছিল নিয়ে উপাচার্য ভবনের সামনে যায়। এ সময় স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি মনসুর আলমসহ কয়েকজন উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলতে প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলায় তার কক্ষে যান। নেতারা উপাচার্যের কক্ষ থেকে বের হওয়ার আগেই প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান করা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহাকারী প্রক্টর নিয়াজ মোরশেদ রিপন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভাঙচুরের খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তদন্ত করে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন:


সিলেটে পাথর তুলতে গিয়ে নিহত ৪