নিহতের ভাই ইসমাইল হোসেন জানান, তার বোনের জরায়ুতে টিউমার হলে বৃহস্পতিবার বিকালে চন্দ্রগঞ্জের এস এম কে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানকার ডাক্তার কাজী ফয়েজা আক্তারের (গাইনী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ গ্রিন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল) তত্ত্বাবধানে তার বোনকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। ভোর রাতে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে স্বজনদের খোঁজ করেন ডাক্তার। এ সময় তার বোনকে ওই হাসপাতাল থেকে কুমিল্লা নিয়ে যেতে বলা হয়। বিষয়টি তাদের সন্দেহ হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের গাফলতির কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে স্বীকার করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এর আগে পুলিশ ওই হাসপাতাল থেকে অভিযুক্ত ডা. কাজী ফয়েজা আক্তার, প্রফেসর ডা. গোলাম মাইন উদ্দিন, আলমগীরসহ চার জনকে আটক করে থানায় হেফাজতে নিয়ে আসেন। তবে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ গণমাধ্যকে এ বিষয়ে কোনও তথ্য দেননি।