ফেনী প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিহতের ঘটনায় তৃতীয় পক্ষ জড়িত ছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে সিআইডি। নিহতদের ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে বলে জানিয়েছেনে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী সিআইডির উপ-পরিদর্শক (সাব-ইন্সপেক্টর) তারেক মাহমুদ।
বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে আরও জানান, ‘২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর পশ্চিম উকিল পাড়ার ‘আবদুর রউফ ভূইঞা’ নিবাসে প্রবাসী গৃহবধূ মর্জিনা আক্তার মুক্তা (২৭), তার শিশু ছেলে মহিন মাহমুদ (৩) ও মেয়ে তাসলিম মাহমুদ মাহিকে (৮) হত্যা করা হয়। এ ঘটনার এক বছর পর আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন,‘মোবাইলের কল লিস্ট ধরে আমরা তদন্ত চালাব। ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।’
মামলার বাদী নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন মাছুম জানান, ঘটনার পর এক বছর পার হয়ে গেলেও পুলিশ ক্লু উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আসামিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ফেনীর পশ্চিম উকিল পাড়ার আবদুর রউফ ভূইঞা নিবাসে দুই শিশু সন্তানসহ এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করেছিল স্বামীর সঙ্গে কলহের জের ধরে সন্তানদের হত্যার পর তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া উভয়ের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছে বলেও স্বজনারা পুলিশকে জানিয়ে ছিল।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আটক ৮