পদদলিত হয়ে নিহতদের অনুদান দিলো মহিউদ্দিনের পরিবার





নিহতদের স্মরণে নগর আওয়ামী লীগ বিশেষ প্রার্থনাচট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নিহতদের অনুদান দিয়েছে মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবার। নিহত ১০ জনের প্রত্যেকের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) নগরীর চট্টেশ্বরী কালী মন্দিরে নিহতদের স্মরণে নগর আওয়ামী লীগ বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে অনুদান তুলে দেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এর আগে সৎকারের সময়ও প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবার।
অনুষ্ঠানে নওফলে বলেন, ‘কোনও মৃত্যুর আর্থিক ক্ষতিপূরণ হয় না। আজ আমরা ক্ষুদ্র যে অনুদান তুলে দিচ্ছি তার সঙ্গে ভবিষ্যতের কোনও সম্পর্ক নেই। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে আমরা সবসময় সম্পৃক্ত থাকবো।’
এসময় নওফেল নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালে যারা চিকিৎসাধীন আছেন তারা এখন শংকামুক্ত। তাদের চিকিৎসা ব্যয় আমরা বহন করবো।’ গুরুতর আহতদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
গত ১৮ ডিসেম্বর রীমা কমিউনিটি সেন্টারে মহিউদ্দিনের কুলখানিতে অংশ নিতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১০ জন মারা যান। নিহতরা সবাই সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলেন। ওইদিন মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে নগরীর ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে মেজবানের আয়োজন করা হয়েছিল। এর মধ্যে রীমা কমিউনিটি সেন্টারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আয়োজন করা হয়। এ ঘটনায় আরও ১০জন গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর ওই দিন মহিউদ্দিন চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। সেই অনুযায়ী আজ নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়।
নগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ প্রার্থনায় মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পাশাপাশি মহিউদ্দিনের ছোট ছেলে বোরহানুল এইচ চৌধুরী সালেহীন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলের সভাপতি দিলীপ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।