প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করলেন। বিএনপি গান-বাজনা শুরু করে দিলো। তিনি একটা রায় দিয়েছেন। ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করেছেন। খুব ভালো কথা। তার এখতিয়ার হচ্ছে আইন বাতিল করা। আর সংসদের এখতিয়ার হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। আমি সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট করে বলেছি, তারা যে রায় লিখেছেন, তা যখন যুক্তিসঙ্গত হয়নি। এরপর আমরা রায়ের বিষয়ে আইনিভাবে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নেই।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি রায়ের মাধ্যমে অনেক গান গাইলেন, যেগুলো একটাও সত্য নয়। এরপর তিনি পদত্যাগ করলেন। কেন করলেন? তার বিরুদ্ধে ১১টি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গের ছয় জন বিচারককে দেখানো হয়েছে। তারপর তারা এসকে সিনহাকে বলেছেন, আপনার বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ। এজন্য আপনি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে সরে গিয়ে এগুলোর জবাব দিন। কারণ আমাদের কাছে যে অভিযোগগুলো এসেছে, সেগুলো তথ্যপ্রমাণসহ এসেছে। আমরা আপনার সঙ্গে বসবো না। দেশের এই পরিস্থিতিতে একটা অচলাবস্থা হয়ে যেতো। শেষপর্যন্ত ৫জন বিচারপতি তার সঙ্গে বসতে রাজি হননি। সে জন্য তিনি পদত্যাগ করেছেন। আর বিএনপি গান গায়, আমরা নাকি জোর করে পদত্যাগ করিয়েছি।’
বিএনপির উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জোর করে পদত্যাগ করিয়েছি, বিষয়টি বিএনপি প্রমাণ করুক। বিএনপি কেবল মিথ্যা কথা বলে।’ তিনি বলেন, ‘দেশ শান্তিতে চলছে। এখন বিএনপি যদি অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে। তারা যে এসকে সিনহার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিল, এর সফলতা তারা পাবে না। দেশে আর কাউকে গণ্ডগোল করতে দেওয়া হবে না।