কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, এ ঘটনায় আটক রিয়াদ হোসেন ও সৌমিত্র আচার্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলায় কলেজের বিভিন্ন বর্ষের ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আবদুল হান্নান ও হাবিবুর রহমান পলাশ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন ছাত্র আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত কলেজের ২৩তম ব্যাচের ছাত্র তৌফিকুল ইসলাম ও ইরফানুল হক রুপুকে শুক্রবার (০৫ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তৌফিককে এ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। শনিবার (০৬ জানুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত তৌফিক আহমেদ ওই হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন : ‘ছেলেকে পাঠিয়েছি ডাক্তার হবে, কিন্তু আজ কি হলো?’