ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৩২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সোমবার সকালে ক্যাম্প পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রতিনিধিরা নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপ করেন।
শাহরিয়ার আলম আরও বলেন, ‘আজকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৩২ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি পরিদর্শনের পর আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমারকে চাপ সৃষ্টি করবে বলে আশা করছি। এজন্য তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি দেখার জন্য এসেছেন। প্রতিনিধি দলটিও আশা করছে রোহিঙ্গারা যেন নিরাপদে এবং নাগরিকত্ব নিয়ে মিয়ানমারে ফিরতে পারে।’
এক সপ্তাহে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছি রোহিঙ্গারা নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশে চলে আসছে, এতে তাদের করার কিছুই নেই। গত ৪০ দিনে প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। গত কয়েক দিনে ৩০০ থেকে ৪০০ করে রোহিঙ্গা এসেছে। আমরা যতটুকু জেনেছি, মিয়ানমারের কিছু লোক তাদের বলছে অন্যরা যেহেতু বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে, তোমরাও চলে যাও। সে কারণে তারাও বাংলাদেশে আসছে। আবার অনেকেই আসছে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের খুঁজতে। এতে আমরা বিচলিত নই। প্রত্যাবাসন যখন শুরু হবে তখনও যদি রোহিঙ্গা আসা অব্যাহত থাকে, তখন আমাদের সিরিয়াসলি ভাবতে হবে।’
এ সময় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন জেমস নিকলসন, রিচার্ড করবেট, ওয়াযিদ খান, সাজ্জাদ করিম, মার্ক তারাবেলাসহ ৩২ জন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য। পরিদর্শনের সময় রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপ ছাড়াও ত্রাণ বিতরণ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন তারা।