মামলার আসামিরা হলেন- সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মাছিমনগর গ্রামের হাজী আক্তারুজ্জামানের ছেলে আবু ইউছুফ (৫০), আবু ছায়েদ (৪৫) ও ইউছুফের স্ত্রী ফয়েজুন্নেছা নেছা (৪৫)।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লোকমান হোসেন বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি। রাতে এসে নিহত পলাশের বাবা মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও মামলার এজহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি ফয়েজুন্নেছাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পলাশদের বাগান থেকে পলাশের দুই চাচাতো ভাই আবু ইউছুফ (৫০) ও আবু ছায়েদ (৪৫) গাছ কেটে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের বাধা দেওয়ায় তারা পলাশের বাবাকে ইট নিক্ষেপ করে। এ সময় পলাশের বাবা পড়ে গিয়ে আহন হন। পরে পলাশ তারা বাবাকে উদ্ধার করতে গেলে ওই দুই ভাই রড দিয়ে তার মাথায় ও বুকে আঘাত করে। মাথা এসময় ভাইকে বাঁচাতে গেলে পলাশের বোন নাছিমা আক্তারকেও (৩৫) তারা মারধর করে ও গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন এসে পলাশকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাকে নোয়াখালী হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি রেজিস্টার নং ৩৩২৮/৮৫ তারিখ ১৪.০২.২০১৮ পলাশকে মারধরে আহত না লিখে ভুলক্রমে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তর্ভুক্ত করে। পরে রেজিস্টার সংশোধন করার জন্য সুপারিশ করা হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন, ‘আমি রেজিস্টার সংশোধনের জন্য আবেদন ইমইেলে পাঠাই। এছাড়া ঢাকা মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকতার সঙ্গে এ ব্যাপারে ফোনে যোগযোগ করি।’