দুদকের আইনজীবী সানোয়ার আহমেদ লাভলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘অর্থ আত্মসাৎ মামলায় কারাগারে পাঠানো তিন ব্যাংক কর্মকর্তা চার সপ্তাহের অর্ন্তবর্তী জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে আজ (২২ এপ্রিল) নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।’
অভিযুক্ত তিন ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন- এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার এসএভিপি ও ম্যানেজার মো. শামসুল আলম, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের জুবলি রোড শাখার এসএভিপি আমিনুর রশীদ ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সোহেল রানা। ঘটনার সময় এরা তিনজন আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১০-১১ সালে লোকাল এলসি’র মাধ্যমে এসএইচ ট্রেডিং থেকে ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল কিনতে আল আরাফা ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা নেন ন্যাশনাল ইস্পাত। কিন্তু কাঁচামাল কেনার নামে ন্যাশনাল ইস্পাত এই ঋণ নিলেও প্রকৃতপক্ষে অভিযুক্ত তিন ব্যাংক কর্মকর্তার সহযোগিতায় ন্যাশনাল ইস্পাতের মালিক এ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় আল আরাফা ব্যাংক সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দেয়। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদকের উপ-পরিচালক (ঢাকা) জালাল উদ্দিন আহমেদ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান।
পরে এ ঘটনায় গত মার্চ মাসের শেষ দিকে ডবলমুরিং থানায় দু’টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ৪৩ কোটি ২৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা হয়; মামলা নম্বর ৮(৩)১৮। এছাড়া ১৫ কোটি ৯৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় একই থানায় পৃথক আরেকটি মামলা হয়। মামলাটির নম্বর ৯(৩)১৮।