রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেছেন জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন। গত ১২ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানির তারিখ ছিল।
অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন চলতি মাসের ৩০ তারিখ ধার্য করেছেন। এটা কেন করেছেন আমরা জানি না। আজ পুনরায় শুনানির কোনও কারণ ছিল না, কোনও গ্রাউন্ডও ছিল না। আজ আমরা কোর্টের চাহিদা অনুযায়ী সব কাগজপত্র পেশ করেছি। এই মামলার এফআরআইএ খালেদা জিয়ার নাম ছিল না।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ২০ দলীয় জোটের অবরোধের সময় চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রোলবোমা ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এতে আটজন যাত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন ২০ জন। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় খালেদা জিয়াসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় ছয় নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়। ৭৭ জন আসামির মধ্যে তিনজন মারা যান, পাঁচজনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়। খালেদা জিয়াসহ অপর ৬৯ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন চার্জশিট দাখিল করেন।