মাছ ব্যবসায়ী মো. জালাল জানান, ধর্মঘটের কারণে বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ঘাটে মাছ এসে পরে আছে। অবরোধ চলতে থাকলে এসব মাছ ঘাটেই পচে যাবে। এতে করে ব্যবসায়ী প্রচুর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে তিনি জানান।
কাপ্তাই ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহ সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিন ৮/১০ ট্রাকে মাছ রাঙামাটি থেকে বিভিন্ন জেলায় যায়। ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকে এখনও কোনও গাড়ি ছেড়ে যায়নি। যদি দেশব্যাপী টানা ৪৮ ঘণ্টা পরিবহন ধর্মঘট চলতে থাকে তাহলে প্রতিদিন আমাদের ১ থেকে ২ কোটি টাকার ক্ষতি হবে। ’
রাঙামাটি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজ বলেন, ‘সরকার আমাদের দাবি মেলে নিলে আমরা রাস্তায় গাড়ি চালাবো। যদি দাবি মেনে না নেয় তাহলে কঠোর আন্দোলন করবো।’
উল্লেখ্য, সংসদে পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন- ২০১৮’ এর কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে রবিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।