মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, দুপুর ১২টা থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটলে এভাবে যান চলাচল করবে।
নগরীতে যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু হলেও এখনও দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রীরা। দূরপাল্লার বাস, হিউম্যান হলারের মতো পণ্যবাহী লরি, কভার্ডভ্যান, ট্রাক মিনিট্রাকও চলাচল করছে না।
নগরীর এ কে খান, অলংকার মোড়, গরবীবুল্লাহ শাহ, সিনেমা প্যালেস, বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব বাস স্টেশন থেকে দুপুর পর্যন্ত দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি। বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ রয়েছে।
একই কথা জানিয়েছেন নগরীর গরিবুল্লাহ শাহ মাজার এলাকায় বাসের জন্য অপেক্ষায় থাকা ইফতেখার হোসাইন। কুমিল্লার এই তরুণ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে শুক্রবার চট্টগ্রামে আসেন।
ইফতেখার হোসাইন বলেন, ‘শনি ও রবিবার দু’টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। পরীক্ষা শেষে রবিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বাস চলাচল না করায় গতকাল যেতে পারিনি। আজ সকালে এসেও বসে আছি। কোনও বাস চলাচল করছে। কাউন্টার থেকে টিকিটও দিচ্ছে না।’
এ সর্ম্পকে জানতে চাইলে আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির মহাসচিব কফিল উদ্দিন বলেন, ‘এই অবরোধের সঙ্গে মালিক পক্ষের কোনও সর্ম্পক নেই। পরিবহন শ্রমিকরা এই অবরোধের ডাক দিয়েছে। তারাই গাড়ি চালাতে রাজি হচ্ছে না।’