রবিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এগুলো বাতিল করা হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপি হওয়ায় এম এ আওয়াল এবং মাহাবুব আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আর ১৯ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বাকি থাকার কারণে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে শাহ আহম্মদ বাদলের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে আউয়ালের অভিযোগ, ‘আমার একটি ব্যাংকে ১২ কোটি টাকার ঋণ ছিল। এই ঋণের ব্যাপারে হাইকোর্টে স্টে ছিল। হাইকোর্টের কাগজপত্র নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসার পথে নৌকার প্রার্থী আনোয়ার খানের সমর্থক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ কারণে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আমি এই বিষয়ে আপিল করবো।’
আনোয়ার খানের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান জানান, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে তরিকত ফেডারেশন থেকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এম এ আওয়াল। এবার তরিকত ফেডারেশন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় দল বদল করে জাকের পার্টির প্রার্থী হয়েছেন তিনি।