সুবর্ণচরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নোয়াখালী

ভোটের রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান আসামি মো. সোহেলসহ দুই জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে নোয়াখালী আমলি আদালত-২ (চরজব্বর) এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবনীতা গুহের কাছে ১৬৪ ধারায় আসামিরা এ জবানবন্দি দেয়।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের জানান, এজাহারভুক্ত আসামি মো. সোহেল ও তদন্তের পর জড়িত সন্দেহে আটক জসিমউদ্দিন রিমান্ডে নেওয়ার তৃতীয় দিনে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এসময় তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি।

গৃহবধূ ধর্ষণের মামলায় এপর্যন্ত মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার ৩য় দিনে সাত আসামির মধ্যে দুই জন আজ স্বীকারোক্তিমূলক দিয়েছে। মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এজাহারভুক্ত আসামি সালাউদ্দিন ও আবুল একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

এদিকে, আজ সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকনসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল নির্যাতিতা গৃহবধূকে দেখতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে যায়। এসময় তারা নির্যাতিতার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং নগদ অর্থ সহায়তা দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন– ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শহীদুল ইসলাম কবীর, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা নজীর আহমাদ, মাওলানা শহীদুল ইসলাম, মাওলানা ফিরোজ আলম, আবদুল হান্নান, জেলা ছাত্র আন্দোলনের দক্ষিণ সভাপতি দিদার হোসাইন ও সদর থানার সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মুকিত সহ প্রমুখ।