লামা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নয়ন জীব চাকমা জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাত ৩টা ৫০ মিনিট ফোন পেয়ে তারা সাড়ে ৪টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। দোকানগুলো টিন ও কাঠের হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৩১টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয় জনতা ও রুপসীপাড়া ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে লামা ও আলীকদম ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টার চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান ও আবেদ আলী বলেন, আমরা কোনও মালামাল বের করতে পারিনি। ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছি। কীভাবে নিজের পরিবার চালাবো ও ঋণের টাকা শোধ করবো জানি না।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার শাহ আলম বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস কিছুটা দেরি করে আসায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। তাদের দায়িত্বের প্রতি আরেও সচেতন হওয়ার দরকার ছিল। সেনাবাহিনী মুহুর্ত ছুঁটে না এলে ক্ষতির পরিমাণ আরেও বাড়তে পারতো।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মধ্যরাতে আগুন লাগার কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।’