জানা গেছে, তালুকদার হাউজের এই ভবন নির্মাণে গত তিন থেকে চার বছর ধরে কুমিল্লা মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রীতিমত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
কুমিল্লা মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সালেহা আক্তার বলেন, ‘রবিবার দুপুরে তালুকদার হাউজের নির্মাণাধীন ভবনের ৭তলা থেকে আনুমানিক পঞ্চাশ ফুটের একটি স্টিলের পাইপ স্কুলের বাথরুমে পড়ে। টিনের ছাদ হওয়ায় পাইপটি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দ হয়। এতে পুরো স্কুলে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর আগেও এই ধরনের একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি স্কুলের পক্ষ থেকে বহুবার হাউজের মালিক সাদেক তালুকদারকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু তিনি নজরে নিচ্ছেন না। আমার স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়।’
প্রধান শিক্ষিকা সালেহা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘কুমিল্লা মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পত্তি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। স্কুলের সম্পত্তির জন্য আমি জেলা-উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের স্থানীয় কাউন্সিলরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।’
হাউজের মালিক অভিযুক্ত সাদেক তালুকদার বলেন, ‘একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি কোনও মানুষ চায় না। রবিবার দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের একটি স্টিলের পাইপ ভেঙে স্কুলের বাথরুমে গিয়ে পড়েছে। আমি শহরের বাইরে ছিলাম। আগামীতে ভবন নির্মাণ কাজে স্কুল কোনও সমস্যার মুখে পড়বে না। আমি সব নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের পর কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাবিবুর আল আমিন সাদী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখেন।