ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘বুধবার রাতে নানার বাড়িতে যাওয়ার পথে আমার মেয়েকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এমরান নামে একজন সকালে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। একটি নির্জন পুকুর পাড় থেকে অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে স্বামী পরিত্যক্তা গৃহবধূ। তার দুই সন্তান রয়েছে।
ওসি আবদুস সামাদ পিপিএম জানান, বুধবার (১০ এপ্রিল) মধ্যরাতেএকটি পুকুর পাড় থেকে পুলিশ ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতার বাবা বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখ করে সোনাইমুড়ি থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত আমিনুল ইসলাম ও নিজাম উদ্দিন নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।