মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষকদের ওপর এভাবে হামলা করতে থাকলে এমন এক সময় আসবে যখন কেউ শিক্ষকতা পেশায় আসতে চাইবেন না। শিক্ষকদের সম্মান রক্ষায় অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।
অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন—মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নীল দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মো. নাজমুল হাসান, মনিবুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য ড. মো. মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই চট্টগ্রামের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র (ইউএসটিসি) ইংরেজি বিভাগের উপদেষ্টা মাসুদ মাহমুদের অফিস কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। তিনি অফিস থেকে বের হয়ে নিচে নামার জন্য লিফটে উঠলে ওই শিক্ষার্থীদের কয়েকজনও সেখানে ঢুকে পড়েন। এরপর লিফট থেকে নেমে ওই শিক্ষক সামনে এগোতে থাকলে ‘ধর ধর, ধাক্কা দে, ধাক্কা দে’ বলে সাত-আটজন শিক্ষার্থী তাঁর পিছু নেন। এর মধ্যে দুজন তাঁকে ধাক্কাও দিয়ে বসেন। পরে একজন তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেন। মাহমুদুল হাসান নামের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির এক শিক্ষার্থীই প্রবীণ এই অধ্যাপকের গায়ে কেরোসিন দেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করে। পরে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানান খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব কুমার চৌধুরী।