জানা গেছে, বান্দরবান শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক সড়কের পাশে মিলনছড়িতে প্রায় ৫০ একর জায়গা জুড়ে বিলাসবহুল এই রিসোর্টটি নির্মাণে ব্যয় করা হচ্ছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। রিসোর্টটির মালিকানায় রয়েছেন ৯ জন। এরমধ্যে জি কে শামীম অন্যতম শেয়ার হোল্ডার।
জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগ দিয়ে রিসোর্টের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্মাণ কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তায় একটি পুলিশ ক্যাম্পও করে দেওয়া হচ্ছে অংশীদারদের নিজস্ব অর্থায়নে।
অভিযোগ উঠেছে, মারমা, ত্রিপুরা, বমসহ স্থানীয় পাহাড়ি সম্প্রদায়ের প্রায় কয়েক একর জমি দখলে নিয়ে এ রিসোর্টটি তৈরি করা হচ্ছে। অবশ্য বান্দরবান জেলা প্রশাসন এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।
নির্মিতব্য ‘সিলভান ওয়াই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড’ রিসোর্টে জি কে শামীম ছাড়াও চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ছোট ভাই জসিম উদ্দিন মন্টু, ঢাকার ব্যবসায়ী ফজল করিম, মোহাম্মদ মহসিন ও মিনারুল চাকলাদারের অংশীদারিত্ব রয়েছে। রিসোর্টের মালিকানায় জসীম উদ্দীন মন্টুর চার শতাংশ, জি কে শামীমের দুই শতাংশ এবং অন্যদের একশতাংশ করে শেয়ার রয়েছে। বলে জানা গেছে।
স্থানীয় পাহাড়ি সম্প্রদায়ের জায়গা দখলের অভিযোগের বিষয়টি ভিত্তিহীন উল্লেখ করে জসিম উদ্দিন মন্টু বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে পাহাড়ি সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন জনের কাছ থেকে জায়গাগুলো কেনা হয়েছে। কোনও জায়গা দখল করা হয়নি বরং স্থানীয় পাহাড়িদের আরও কীভাবে সুবিধা দেওয়া যায় সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
এই রিসোর্টের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের অভিযোগের বিষয়ে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তের পরই প্রশাসন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।’