এ সময় রাঙামাটির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, চাকমা সার্কেলের চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য এলাকার যেসব স্থানে খুব শিগগির বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সম্ভাবনা নেই সেখানে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পে ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৯-এর জুন পর্যন্ত মোট বরাদ্দ ৭৬ কোটি ৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা। প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩,৭০৮ জন সুবিধা ভোগ করছে।
বিনামূল্যে সোলার পাওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাভোগীরা বলেন, আগে সন্ধ্যার পর অনেকটা সময় অন্ধকারে থাকতো হতো। সোলারের আলোর কারণে এখন বাচ্চাদের পড়ালেখা ও তাঁতে কাপড় বোনাসহ বিভিন্ন কাজ করা যায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘পার্বত্য এলাকায় আমরা ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। পার্বত্য এলাকার কোনও ঘর যাতে অন্ধকার না থাকে সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকাগুলোতেও বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেওয়া। আমরা চাই কোনও বাড়ি যাতে অন্ধকার না থাকে। আমরা সেভাবেই প্রকল্প নিয়েছি এবং কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য এলাকায় আগে দুপুর তিনটার পর থাকা যেত না। আমরা ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য এলাকার সমস্যা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি। এটা রাজনৈতিক সমস্যা ছিল, আমরা রাজনৈতিকভাবেই তা সমাধানের চেষ্টা করেছি। এবং পার্বত্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা শান্তিচুক্তি করেছি। শান্তিচুক্তির ফলে প্রায় ১৮শ’ অস্ত্রধারী আমার কাছে অস্ত্রসমর্পণ করেছে। আমরা সবাইকে পুনর্বাসন করেছি। ৬৪ হাজার লোককে ভারত থেকে প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।