শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পিবিআই-এর কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওসমান গনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
সৈকতের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দেওপাড়া গ্রামে। ২১ জানুয়ারি ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মিয়াবাজার হাইওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিরশানী বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর থেকে অজ্ঞাত পরিচিত এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেন হাইওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা। মৃতদেহের মাথা-মুখ থেঁতলানো ও বিকৃত অবস্থায় ছিল।ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সুমন মিয়া চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, তারা মহাসড়কে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। ২০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তারা একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা-মেট্রো গ-২৯-৩৫৯৪) ভাড়া নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছিনতাই করতে বের হয়। ওই রাতে তারা ফেনী থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার পর্যন্ত কয়েকটি স্থানে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে। ফেনী থেকে ফেরার পথে রাত দেড়টার দিকে চৌদ্দগ্রামের মিরশানী বাজার এলাকায় সড়কের পাশে সৈকতকে হাঁটতে দেখে। তাকে টেনেহিঁচড়ে প্রাইভেটকারে তুলে নেয় এবং মারধর করে মোবাইল ও টাকা কেড়ে নিয়ে লাথি মেরে সড়কে ফেলে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমান গনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য ও মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল আলম সাধন, চান্দিনার নৈশ প্রহরী নাছির উদ্দিনসহ মহাসড়ক থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের একাধিক মামলা তদন্তনাধীন রয়েছে। প্রত্যেকটি ঘটনা চাঞ্চল্যকর।