সভায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়, রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস ঘোষ, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক রতন কুমার নাথ এবং লঞ্চ ও বোট মালিক সমিতির নেতারা।
জরুরি সভায় লাইফ জ্যাকেট বিহীন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, বোটের ছাদে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারিসহ লঞ্চ ও বোট মালিকদের আরও সর্তক হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া শনিবার থেকে এই বিষয়ে নজর রাখার জন্য প্রতি ঘাটে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগেরও সিন্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, ‘রাঙামাটি পর্যটন শহর। কাপ্তাই হ্রদ হলো জেলার পর্যটকদের মূল আকর্ষণ। কিন্তু সচেতনতার অভাবে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই শনিবার সকাল থেকেই জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট জেলা শহরের চারটি বোটঘাট পরির্দশন করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি রাঙামাটিতে পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত হেলপার ও কাপ্তাই হ্রদে ডুবে নিহতদের পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের ডিসি বাংলো এলাকা থেকে কাপ্তাই হ্রদে দিয়ে সুবলং যাওয়ার পথে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ছয় জনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: কাপ্তাই লেকে নৌকাডুবি: পাঁচ পর্যটকের লাশ উদ্ধার