মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, পুলিশের তিনটি টিম হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নামে। গ্রেফতার সাইফ উদ্দিন কিশোর কাকলী হত্যার বর্ণনা দিয়েছে পুলিশের কাছে। কাকলীর ব্যবহৃত মুঠোফোনের আলাপ ধরেই সহপাঠী সাইফ উদ্দিনকে কৌশলে বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে গ্রেফতার করা হয়।
ওসি জানান, প্রেমঘটিত বিষয় ছিল। গ্রেফতার হওয়া সাইফ উদ্দিন ও ভিকটিম কাকলী একই ক্লাসে পড়তো। এক পর্যায়ে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর আরেক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে কাকলীর। এরপর আবার সাইফ উদ্দিনের কাছে ফিরে আসে কাকলী। এই দুই প্রেমিক মিলে কাকলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মতো ধর্ষণের পর কাকলীর মাথাকেটে খালে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় জড়িত আরেকজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় ওই দুই কিশোর। পরে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মমরুজকান্দি সপ্তগ্রাম অক্সফোর্ড একাডেমি নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ থেকে সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রী কাকলীর মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।