শনিবার (৬ জুন) মামলার বিষয়ে নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ ইয়াসিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মামলায় চার জনের সাম উল্লেখসহ আরও অনেককে অজ্ঞাত করে আসামি করা হয়েছে। মেছোবাঘ হত্যার খবর পেয়ে শুক্রবার আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে। মাটিতে পুতে ফেলা মেছোবাঘটি তুলে তার মাপ নিয়েছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তারা মেছোবাঘটি হত্যার সঙ্গে জড়িত চার জনকে শনাক্ত করেছেন।’
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় খাবারের সন্ধানে মেছোবাঘটি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। তখন গ্রামবাসী ধাওয়া করে বাঘটিকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে মৃত মেছোবাঘটিকে রশি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। হত্যার পর কাঁধে নিয়ে কয়েকজন যুবককে উল্লাস করতে দেখা যায়। ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় উঠে। অনেকে এ ঘটনায় জড়িত যুবকদের শাস্তির দাবি জানান।
মেছোবাঘটি হত্যার পর অন্যদের সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠা স্থানীয় যুবক হান্নান বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘মেছোবাঘটি গ্রামের অনেকের হাঁস-মুরগি খেয়ে ফেলে। তাই সবাই মেছোবাঘের কারণে অতিষ্ঠ ছিল। এই কারণে বাঘটিতে মারতে পেরে সবাই উল্লাস করে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বনবিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মেছোবাঘ হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বনবিভাগের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’