অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সুইডেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় ‘সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপাইরেটরি ইনফেকশন আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার (এএআরআইআইটিসি) নামের চিকিৎসাকেন্দ্রটি ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালনা করবে আইসিডিডিআর,বি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের সমন্বয়কারী ড. আবু তোহা এম আর এইচ ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তমু হযুমি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল, আইসিডিডিআর,বির সিনিয়র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ড. জিয়াউল ইসলাম, ডব্লিউএইচও এর ড. মুকেশ প্রজাপতি, ইউএনএফপি এর রোসেলিডা রাফায়েল, ইউনিসেফের এজাতুল্লাহ মাজিদ, আইসিডিডিআর,বির প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. মো. মুনিরুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় অনলাইনে সংযুক্ত হন আইসিডিডিআর,বি এর নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর জন ডি ক্লেমেন্স এবং ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ।
এ বিষয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তোমু হোজুমি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা এখনও বেড়েই চলেছে। জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে নজিরবিহীন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ইউনিসেফ নিবিড়ভাবে বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে। এ ছাড়াও ইউনিসেফ জাতীয় পর্যায়ে এবং কক্সবাজারে বসবাসরতদের মাঝে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে এবং আক্রান্তদের চিকিৎসায় সহায়তা দিতে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা-সরঞ্জাম ও সামগ্রী ক্রয় করছে।’
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের সমন্বয়কারী ড. আবু তোহা এম আর এইচ ভূঁইয়া বলেন, ‘জনসংখ্যার ঘনত্ব খুব বেশি হওয়ার কারণে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির কোভিড-১৯ মহামারির জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। এই কেন্দ্র বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা উভয় জনগোষ্ঠীকে গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদান করবে।’
আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. জন ডেভিড ক্লেমেন্স বলেন, ‘এই ব্যতিক্রমী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পেরে আমরা গর্বিত। এই সংকট মোকাবিলায় আমাদের যেসব কর্মী অগ্রভাগে রয়েছেন, তাদের প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’
এদিকে গত বুধবার পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় ৯৭ জন রোহিঙ্গাসহ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ৯৫৪ জনে। তার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৯১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৮ জনের। এদের মধ্যে ৬ জন রোহিঙ্গা।