প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৫টার দিকে শহরের শাঁখারীপাড়া এলাকা থেকে জেলা সৈনিক লীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সওদাগর ও বদরুল আলম শাম্মী একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি তমিজ মার্কেটস্থ এলাকায় পৌঁছলে বদরুল আলম শাম্মীকে দেখে ক্ষুব্ধ যুবলীগ কর্মীরা বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনার এক পর্যায়ে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় সৈনিকলীগ সভাপতিকে মারধর করেন ও বদরুল আলম শাম্মীকে লাঞ্ছিত করেন বিক্ষুব্ধরা। পরে বদরুল আলম শাম্মী ও সৈনিক লীগের কর্মীরা শাখারীপাড়া এলাকায় দলবদ্ধ হলে যুবলীগ কর্মীরা তাদের ধাওয়া দিলে তারাও পাল্টা ধাওয়া করেন। এ সময় উভয়পক্ষের আরও ৮ জন আহত হন।
বদরুল আলম শাম্মী জানান, সৈনিকলীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা নছির আহমদ ভূঁইয়ার মৃত্যু বার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান টিপু ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয়। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় সৈনিকলীগ সভাপতি ও আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়।
তবে, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, একটি পিকআপভ্যানে করে মিছিলে লোক আনেন সৈনিকলীগ নেতারা। পরে শ্রমিকদের ভাড়া না দেওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক ও সৈনিকলীগের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা শুনেছি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।
/আরএ/এমএনএইচ/