এই দুর্যোগে যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তখন হেফাজত বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্ষমতা পরিবর্তন করার জন্য কিছু এতিম শিশুকে ভুলভাল বুঝিয়ে হাতে লাঠি দিয়ে সংঘাতে নামিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
তিনি বলেন, তাদের (হেফাজত) লক্ষ্য ছিল এই সংঘাতে কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররা মারা গেলে সেটিকে পুঁজি করে তারা এই সরকারকে বিশ্বের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু এটা এই বাংলাদেশে কখনোই সম্ভব হবে না। কারণ এই বাংলাদেশ মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্তর থেকে ভালোবাসেন। তাই তারা এত ধ্বংসযজ্ঞ করার পরেও নিয়মতান্ত্রিক বিচারের মাধ্যমে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় নগরীর লাভলেইনে স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ সমাজসেবা সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম চৌধুরী রিন্টুর ব্যবস্থাপনায় ২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ডে এক হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী প্রধান অতিথি ছিলেন।
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘গতবছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সেই নির্দেশনা মেনে করোনার দুর্যোগ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সামর্থ অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে।’
সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যাতে চক্রান্ত করে সফল হতে না পারে সেজন্য নেতাকর্মীদের সর্বদা সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সাবেক ছাত্রনেতা ফরহাদুল ইসলাম রিন্টু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগে সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন বাচ্চু, আইন বিষয়ক সম্পাদক শেখ ইফতেখার সাঈমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, ২১ নম্বর জামালখাঁন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিথুন বড়ুয়া, সহ-সভাপতি হাজী সাহাবউদ্দিন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা বেগম, নগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, যুবনেতা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।