সুতার ঘোষণা দিয়ে মরিশাস থেকে আনা হলো কম্বল-জায়নামাজ

সুতার ঘোষণা দিয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এই চালানে আসা নতুন ও পুরাতন মিলিয়ে ১৫৫১টি কম্বল, ৪৮৩টি জায়নামাজ, ১২০ কেজি বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী, ২০০ কেজি বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।

কম্বলের সুতা ঘোষণা দিয়ে মরিশাস থেকে আনা এসব পণ্য জব্দ করেছে কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম। 

কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (এআইআর শাখা) শরিফউদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ১৭ নভেম্বর রাতে চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয় বলেও তিনি জানান।

শরিফউদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, চালানের ২৩৮টি প্যাকেজের প্রায় প্রতিটিতে প্রেরক ও প্রাপকের নাম-ঠিকানা, মোবাইল নম্বর সংবলিত কাপড় সেলাই করা অবস্থায় আছে। এ ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা যায়, পাবনা রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার  আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এমজিএল কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড মরিশাস থেকে ব্ল্যাংকেট ফেব্রিকস ঘোষণা দিয়ে এক কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মরিশাসের পোর্ট লুইস বন্দর থেকে জাহাজযোগে কন্টেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। গত ১৭ জুলাই পণ্য খালাসের লক্ষ্যে আমাদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। 

শরিফউদ্দিন বলেন, চালানটিতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য আনা হয়েছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে আমরা এটি জব্দের সিদ্ধান্ত নিই। ১৭ নভেম্বর রাতে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চালানটি শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়। কায়িক পরীক্ষাকালে পণ্যবাহী কন্টেইনার থেকে সব পণ্য বের করে আনার পর দেখা যায়, নতুন ও পুরাতন মিলিয়ে এক হাজার ৫৫১টি কম্বল, ৪৮৩টি জায়নামাজ, ১২০ কেজি বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী, ২০০ কেজি বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিকস সামগ্রী রয়েছে। পরে এগুলো আমরা জব্দ করি।