ভাতিজাদের কোলে চড়ে কেন্দ্রে আসলেন ফরিদ খান

ফরিদ খান (৬৫) হাঁটতে পারেন না দেড় বছর, দাঁড়াতেও কষ্ট হয়। তবু ভাতিজাদের কাঁধে ও কোলে চড়ে ভোট দিতে এসেছেন। ফরিদ খানের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের পিপড়িয়া গ্রামে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় পিপড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভাতিজাদের কাঁধে ও কোলে চড়ে ভোট দিতে আসেন তিনি।  

ভাতিজা আবির খান বলেন, আমার চাচা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের পিপড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার। তিনি পিপড়িয়া গ্রামের খান বাড়ির বাসিন্দা। গত দেড় বছর আগে চাচা প্যারালাইজড হয়ে যান। এরপর থেকে তিনি হাঁটতে পারেন না, কথাও বলতে পারেন না। এবারের নির্বাচনে চাচা ভোট দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন, তাই আমরা উনাকে কাঁধে করে নিয়ে এসেছি।

কাঁপা কাঁপা গলায় ফরিদ খান বলেন, শরীরের যে আবস্থা, মনে হয় এইডাই শেষ ভোট। তাই ভোট দিতাম আইছি। আমি কইছি আমার ভাতিজা ভোট দিয়া দিছে। 

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ফরিদ খানকে দেখে আমি এগিয়ে যাই। পরে উনাকে উনার ভাতিজারা কেন্দ্রের ভেতর নিয়ে যান৷  এই কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ১১৬৮টি। পুরুষ ভোটার ৫৬৪জন এবং নারী ভোটার ৬০৪ জন।