‘দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে রাবার’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের রাবার শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে রাবার শিল্পের অবদান বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে উৎপাদিত উন্নত মানের রাবার অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে।’

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে রাবার বোর্ডের আয়োজনে প্রথম প্রাকৃতিক রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পপণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ এবং বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পাদন করেছে। এই খাতের উন্নয়ন হলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে, বেকার সমস্যা সমাধান হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন প্রায় ৪০ হাজার একর জমিতে ১৮টি রাবার বাগান সৃজন করেছে। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারি ৩৩ হাজার একর জমি রাবার চাষের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিসহ দেশের ১২টি জেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ১৩ হাজার ২০০ একর জমিতে রাবার চাষের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করছে রাবার বোর্ড।’ এ সময় রাবার চাষে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর মেলার স্টলে রাবার ও রাবারজাত পণ্য ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই মেলা। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. রফিকুল হায়দার এবং এফবিসিসিআই পরিচালক সৈয়দ মোয়জ্জেম হোসেন।