পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদে যেতে মাইকিং, কাপ্তাই হ্রদেও নৌযান বন্ধ

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে।  যার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের নৌযান পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলাচল না করতে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এই সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের এর ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে কাপ্তাই হ্রদে টুরিস্ট নৌকাসহ সব ধরনের নৌযান সোমবার বিকাল ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। জেলা শহরের ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনের জন্য ২২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ রয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে তিনটি মেডিক্যাল, ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম। খোলা হয়েছে জরুরি কন্ট্রোল রুম। এ ছাড়াও উপজেলাগুলোতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি ও ক্ষতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়ার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, এনজিও, পৌর কাউন্সিলর সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে, রাঙামাটির পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে শহরজুড়ে জেলা তথ্য অফিস মাইকিং করেছে।

রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।