ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের দুই নেতা আরমান হোসেন ও নোবেল মজুমদারের ভর্তি বাতিল হয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) প্রকৌশলী মো. রকিব উল্লাহ সই করা প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি হয়।
সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মার্চ দুপুরে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিশুসহ ৯ জন আহত হন। ওই ঘটনায় ২০ মার্চ দ্বিতীয় মেয়াদে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ, প্রত্যক্ষদর্শী ও একাধিক শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৫ জনের বক্তব্য সংগ্রহের পর ১২ শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এর মধ্যে দুই ছাত্রের ভর্তি বাতিলের সুপারিশ ও অপর ১০ জনকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়।
এই ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ছয় নেতাকে ছাত্রলীগের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তারা হলেন- সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আজিম আরাফাত, সহ-সভাপতি নিলয় মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আল মাহমুদ রুতাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক মনোয়ার, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার চৌধুরী প্রিয়ম এবং দফতর সম্পাদক দ্বীন মোহাম্মদ।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনার পর আরও তিন ছাত্র নিজেদের ভর্তি বাতিল করে স্বেচ্ছায় অন্য জায়গায় স্থানান্তর হয়েছেন। এর মধ্যে পিয়াস আলী সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিকে, শাহরিয়ার চৌধুরী নরসিংদী পলিটেকনিকে ও রাহাতুল ইসলাম মজুমদার কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর হন।