কক্সবাজারে মাছ ধরার একটি ট্রলারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ওসমান গণি (২০) নামের এক জেলে মারা গেছেন। রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান গণির শরীর ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। পাশাপাশি তার শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল সূত্র জানায়, কক্সবাজারে মাছ ধরার একটি ট্রলারে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১২ জেলে দগ্ধ হন। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ১০ জনকে শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ঢাকায় হস্তান্তর করা হয়। বাকি আট জনের মধ্যে গত রাতে একজনের মৃত্যু হলো। বাকি সাত জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়াছটার ৬ নম্বর ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা মোহাম্মদ সেলিমের মালিকানাধীন ট্রলারের জেলে। তারা কক্সবাজার পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়া ও সমিতি পাড়ার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগর থেকে ইলিশ ধরে ট্রলারের জেলেরা বাঁকখালী নদীর ফিসারিঘাটে আসেন। সকাল ১০টার দিকে ট্রলারটি নদীর ফিসারিঘাটের ৬ নম্বর ঘাটে পৌঁছায়। এরপর সাগর থেকে আহরিত মাছ খালাস করা হচ্ছিল। পাশে চলছিল গ্যাসের সিলিন্ডারে রান্না। হঠাৎ বিকট শব্দে সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে ট্রলারের ১২ জেলে আহত হন।