দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে দুজন সংসদ সদস্য বাদ পড়েছেন। এর মধ্যে চাঁদপুর-১ আসনে বাদ পড়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এ আসনে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম মাহমুদ।
চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল আমিন রুহুলের পরিবর্তে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম)।
রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণার পর তাদের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে বের হয় আনন্দ মিছিল। শুরু হয় মিষ্টি বিতরণ।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে চতুর্থবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি ২০০৮, ২০১৩, ২০১৮ সালের নির্বাচনেও সংসদ সদস্য ছিলেন।
মনোনয়ন পাওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শুকরিয়া আদায় করছি আল্লাহর কাছে এবং আমার মনোনয়ন বোর্ড, নেত্রীসহ সবার কাছে। চাঁদপুর-৩ আসনের জনগণের দোয়া-আশীর্বাদ রয়েছে আমার জন্য। আমি আশা করি, তারা আগামী দিনে আবারও তাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম)। ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান মুক্তিযুদ্ধের এই জীবন্ত কিংবদন্তি। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে একই আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
উল্লেখ্য, চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন ৫৮ জন। সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন চাঁদপুর-৪ আসনে। সেখানে ১৮ জন নৌকা চেয়েছিলেন। আর সবচেয়ে কম ছিল চাঁদপুর-৩ আসনে, ৭ জন।
এ ছাড়া চাঁদপুর-১ আসনে ৮ জন, চাঁদপুর-২ আসনে ১২ জন, চাঁদপুর-৫ আসনে ১৩ জন নৌকা চেয়ে ফরম জমা দেন।