শুক্রবার সকালে কংকন চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
কংকন চাকমা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে তাকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। তদন্ত শেষে রিপোর্ট জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
গত ৬ এপ্রিল রাত সাড়ে দশটার দিকে নিজেকে এনডিসি পরিচয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ম্যাজিষ্ট্রেট সোহেল রানা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার নামে অপর ৬ ব্যাক্তিকে নিয়ে ওই কোল্ড ষ্টোরেজের তালা ভেঙ্গে ২টি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে ২০০ ইলিশ নিয়ে যায়। পহেলা বৈশাখে ভাল দাম পাওয়ায় আশায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে ওই ক্লোড স্টোরেজে মাছগুলো ১২ জন ব্যবসায়ী মজুদ রাখেন। লুট হওয়া মাছের বর্তমান বাজার দর প্রায় ৪ লাখ টাকা।
/এসএনএইচ/