কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার আসামি আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। উপজেলার মানিকান্দি গ্রামে সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের পাহারায় পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত পৌনে ২টার দিকে লতিফ মারা যান। তিতাস থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত লতিফ ভূঁইয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মৎস্য প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরে ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা জহিরুল হক মোল্লাকে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলার আসামি লতিফ ভূঁইয়া পাঁচ মাস কারাবাস শেষে জামিনে মুক্ত হন। জামিনে আসার পর মানিককান্দি গ্রামের ফজলু মোল্লার ছেলে ও নিহত যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লার জ্যাঠাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাকে রাতের আঁধারে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। তাকে পিটুনি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা যান।