তল্লাশির কথা বলে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা করে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তিনি ও সেখানে জড়ো হওয়া মানুষ তার পরিচয় দিলেও তাকে ‘আসামি’ উল্লেখ থানায় নিয়ে যান। নেওয়ার সময় ওসিকে ফোনে থানায় নেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিয়ে যেতে বলে দাব করেন এই ক্রিকেটার। থানায়ও তাকে হেনস্তা করা হয়। চোখ নামিয়ে কথা বলতে বলা হয়। একসময় থানায় অসহায় হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নাঈম হাসান। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল ও পরিচালক ইসরাফিল খসরুর ফোনে থানা থেকে রক্ষা পান নাঈম।
থানায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাঈম হাসান বলেন, ‘আজকে আমার সঙ্গে হয়েছে, কালকে আরেকজনের সঙ্গে হলে সে কার কাছে যাবে? তার জন্য আপনি আসবেন, এতগুলো মানুষ আসবে? কেউ আসবে না। ওই মানুষগুলো ভুক্তভোগী...।’ এর কাঁদতে থাকেন এই ক্রিকেটার।
তামিম ইকবাল কী বলেছেন- সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘তামিম ভাই ওসিকে দিতে বলেছেন, ওনার সঙ্গে কথা বলেছেন। আব্বুর সঙ্গে কথা বলেছে। ইসরাফিল ভাই কল দিয়েছিল। ওসি প্রথমে আমাকে বলছে, চোখ নিচে নামায় কথা বল। ওনার একটা কল আসার পর বলেতেছে, বসো তুমি। গাড়িতে করে আমাকে নিয়ে আসার সময় ওসিকে জিজ্ঞেস করেছিল, নিয়ে আসবে কি না। ওসি বলেছিল, থানায় নিয়ে আসতে। আমার পরিচয় দেওয়ার পরও নিয়ে আসতে বলেছে। আমাদেরকে পুলিশ-আর্মি জিজ্ঞাসা করে, কিন্তু মারবে কেন? আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’