পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তাসলিমা বলেন, সে প্রতি রাতেই তাহাজ্জুতের নামাজ পরে ঘুমাতে যায়। ঘটনার রাতে সে তাহাজ্জুত নামাজ পরে শুয়ে পড়ে। এসময় তার কাছে গায়েবি হুকুম আসে শিশু দুটিকে হত্যা করার। সে অনুযায়ী রাত তিনটার দিকে সে প্রথমে ঘুমিয়ে থাকা পুত্র সন্তান তকিকে গলাটিপে হত্যা করে। পরে ৬ মাস বয়সী মেয়ে তাহেরাকে একই কায়দায় গলা টিপে হত্যা করে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিম সুপার কামরুজ্জামান জানান, তাসলিমা হত্যার স্বীকার করলেও এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য,গত ২ মে চরবাগাট গ্রামে ঘরের মধ্য থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনের শিশু পুত্র তকি (৫) ও মেয়ে তাহেরাকে (৬ মাস) মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় এলাকাবাসী।
আরও পড়ুন:
/এআর/